অপব্যাখ্যাত আয়াত ৯৮ঃ৬-ইহুদী,খৃষ্টান ও মূর্তিপূজারীরা কি সৃষ্টিজগতের নিকৃষ্টতম জীব? -আইনু

৪৫.অপব্যাখ্যাত আয়াত ৯৮ঃ৬
ইহুদী,খৃষ্টান মূর্তিপূজারীরা কি সৃষ্টিজগতের নিকৃষ্টতম জীব?
-আইনুল বারী
--   --            ----    --

(১) ইসলাম ধর্মে ইহুদী,খৃষ্টান ও বহুশ্বেরবাদী মুর্তিপূজারীদের সৃষ্টিজগতের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট বলা হয়েছে, এমন প্রচারণার রেফারেন্স হিসেবে ৯৮ঃ৬ আয়াতটি ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটু গভীর পর্যবেক্ষণে আমরা বুঝবো, এটি একটি না বুঝা অপপ্রচার মাত্র। 
বাংলা ভাষায় প্রচলিত অনুবাদে ৯৮ঃ৬ নং আয়াতটির সরল অর্থ করা হয় এমনঃ

'আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।'-৯৮ঃ৬

আরবীতে, inna alladhīna kafarū min ahli l-kitābi wal-mush'rikīna fī nāri jahannama khālidīna fīhā ulāika hum sharru l-bariyati 

ইংরেজিতে, Lo! those who disbelieve, among the People of the Scripture and the idolaters, will abide in fire of hell. They are the worst of created beings.( Pickthall)-98:6


(২) এখন কুর'আনের শিক্ষার আলোকেই কিছু ধারণা সুস্পষ্ট করা প্রয়োজন; সেগুলি একে একে তুলে ধরছিঃ

                                                 'আহলে কিতাব'  কারা?
‘আহলে কিতাব’ বলতে ধর্মগ্রন্থ প্রাপ্ত সম্প্রদায়ের লোকজনকেই বোঝায়। এ শুধু ইহুদী,খৃস্টান নয়। তবে আলোচ্য আয়াতটি নাযিলের একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আছে। যেখানে আহলে-কিতাব বলতে ইহুদী ও খৃস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনকে বোঝানো হয়েছিলো।মুসলমানদের উদ্দেশ্যেও সতর্কবার্তা হিসেবে আয়াতটিকে দেখতে হবে। এর অন্তর্গত অর্থকে সম্প্রসারিত করলে এই আয়তের সার্বজনীর শিক্ষা্য পরিণত হয়। কেননা মুসলমানদের জন্যও আজ একই কথা প্রযোজ্য, তারাও কিতাবপ্রাপ্ত সম্প্রদায়।এই আয়তের শিক্ষা পূর্ববর্তীদের দিয়ে পরবর্তীদের জন্যও।

                                                 'মুশরিক'  কারা?
অন্য দিকে মুশরিক বলতে যারা বহুত্ববাদী, বহু দেব-দেবীতে বিশ্বাসী এমন লোকজন ও সম্প্রদায়কে বোঝায়। অতীতে তাদের পূর্ব পুরুষগণ এক সময় একত্ববাদে বিশ্বাসী থাকলেও কালক্রমে তারা তাদের বিশ্বাসে নানা বিভ্রান্তি এনেছে এবং এক সময় বহুত্ববাদে পথভ্রষ্ট হয়েছে।


                           
        আহলে-কিতাবের অনুসারী সকল ইহুদী-খৃষ্টান ও পৌত্তলিকদের সবাই জাহান্নামী হবে?

আহলে-কিতাব ও মুশরিকদের ব্যাপারে আয়াতটিতে মানুষের মহান প্রতিপালকের কাছ থেকে সত্য বর্ণনা করা হয়েছে। এদের মধ্যে যারা কাফের তথা অস্বীকারকারী-অকৃতজ্ঞ, তারা পরকালে জাহান্নামের অধিবাসী হবে এবং তারাই মানুষের স্রষ্টার কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে সৃষ্টির সর্ব নিম্ন স্থানে। অপর দিকে পূর্ববর্তী আহলে-কিতাবের অনুসারী সম্প্রদায়ের লোকজন যারা বিশ্বাস এনেছিলো ও কৃতজ্ঞ ছিলো তারাতো তখন পর্যন্ত সঠিক পথেই ছিলো, কাজেই তারা জাহান্নামী নয়, সৃষ্টির অধমও নয়। ৯৮ঃ৬ আয়াতটি কোনোভাবেই পুরো সম্প্রদায়কে জাহান্নামী হিসেবে নির্দেশ করে না। ইহুদী,খৃষ্টানদের জন্য এই আয়াতের যে উপদেশ তা থেকে উপলব্ধি হয় একইভাবে ঐশীগ্রন্থ কুর'আনকে পেয়েও যারা মুনাফেক(ভন্ড), কাফের(অস্বীকারকারী-অকৃতজ্ঞ) হয়েছে তাদের ব্যাপারেও উপদেশ একই নির্দেশ করে।


(৩) এখন এই আয়াতের অর্থ যথাযথ অনুধাবনের জন্য প্রথমে ১ হতে ৭ পর্যন্ত আয়াতসমূহ নিয়ে যে কন্টেক্সটির দিকে মনোযোগ দিতে হবে,

'আহলে-কিতাবদের মাঝে যারা কাফের (অস্বীকারকারী-অকৃতজ্ঞ) ও যারা মুশরিক(বহুত্ববাদী দেব-দেবীর পূজারী) তারা পরিত্যাক্ত হয়নি (সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয় নি)যতোক্ষণ পর্যন্ত না তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে।'-৯৮/১

‘আল্লাহর একজন রসূল, যিনি পাঠ করেন পবিত্র সহীফা (ধর্মগ্রন্থের পৃষ্ঠাগুলি)।’ -৯৮/২
‘যাতে আছে সঠিক লেখনী(বিষয়বস্তু)।’ -৯৮/৩

‘কিতাবপ্রাপ্তরা দ্বিধা-বিভক্ত হয়নি, যতোক্ষণ না তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে (তা হয়েছে তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরেই)।’ -৯৮/৪

‘আর তাদেরকে কোনো নির্দেশ করা হয়নি আল্লাহ ছাড়া কারো এবাদত করতে, তারা বিশুদ্ধমনে একনিষ্ঠভাবে তাঁরই এবাদত করবে (নির্দেশিত পথে চলবে), নামায প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত দেবে। এটিই সঠিক ধর্ম।’ -৯৮/৫

'আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।' -৯৮/৬

‘নিশ্চয় যারা বিশ্বাস এনেছে ও সৎকর্মশীল, তারাই সৃষ্টির সেরা।’ -৯৮/৭

                                        ১-৪ নং আয়াতে এটি স্পষ্ট যে রাসুলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসার পর আহলে-কিতাবের মধ্যে যারা তা অস্বীকার করেছে ও অকৃতজ্ঞ থেকেছে আর যারা মুশরিক রয়ে গেছে তারা তখন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন বা পরিত্যাক্ত বিবেচিত হয়েছে।আর এমন সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরই কিতাবপ্রাপ্তরা পরষ্পর দ্বিধা-বিভক্ত হয়েছে। অথচ থাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আল্লাহর রাসুলগণ এসেছিলেন একত্ববাদের বাণী ও সঠিক জীবন বিধান নিয়ে।কিন্তু তাদের মধ্যে যারা তা গ্রাহ্য করেনি, তাদের পরিণতি পরকালের জন্য ভীষণ দূর্দশার। মানুষের প্রতিপালকের কাছে এমন মানুষের মর্যাদা সৃষ্টিজগতের সর্বনিম্ন ধাপে।এখানে সূরাহ আনফালের সংশ্লিষ্ট নিচের কয়েকটি আয়াত অনুধাবনযোগ্য,

‘তাদের মতো হয়ো না, যারা বলে যে, আমরা শুনেছি, অথচ তারা শোনেনা।'

‘নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তারাই নিকৃষ্ট জীব, যারা বধির ও মূ্‌ক, যারা অনুধাবন করে না।’ -সুরাহ আন’ফাল(অধ্যায়-৮), আয়াত-২১,২২

                                            ৮:২২ আয়াতটি পড়তে গিয়ে অবিশ্বাসীদের মনে হয় এখানে বোধহীন মানুষকে আল্লাহ গাল-মন্দ করেছে। আয়াতটির অর্থ অন্যভাবে ধরা পড়ে যদি তা অনুধাবন করি জ্ঞান-বিজ্ঞান ও যুক্তি-বোধের আলোকে ।

সাধারণভাবে আমরা জানি যে মানব মস্তিষ্ক আসল তিনটি মস্তিষ্ককে সমন্বয় করে আছে; বিবর্তবনবাদী দৃষ্টিকোনে মস্তিষ্কের আদি অংশটি যাকে ব্রেন স্টেম বলা হয় তা রেপ্টাইল বা স্বরীসৃপ গোত্রের পুরো মস্তিষ্কের সাথে তুলনীয়।প্রাণী জগতে মস্তিষ্কের বিবর্তন প্রক্রিয়ায় এ অবস্থা প্রায় ৫০ কোটি বছর আগে ছিলো। এরপর মস্তিষ্কে সংযোজিত হয় লিম্বিক ব্যবস্থা, যা ম্যামাল বা স্তন্যপায়ী প্রাণীরা লাভ করে, উচ্চতর বিবর্তিত অংশ হিসেবে।মস্তিষ্কের সর্বশেষ বা আধুনিক অংশ হলো নিও কর্টেক্স, যেখানে জটিল চিন্তাগুলি মস্তিষ্ক করতে পারে। মানব মস্তিষ্কের এর চূড়ান্ত বিকাশ।

তিনটি ধাপের মধ্যে ম্যামাল বা রেপ্টাইল মস্তিষ্কের জটিল চিন্তা করার কর্ম-ক্ষমতা নেই। রেপ্টাইল মস্তিষ্ক বা ব্রেন স্টেমের প্রধান কাজ হলো জীবনের মৌলিক কাজ সমাধা করা যা শ্বাস-প্রশাস ও হৃদস্পন্দনের মাঝে সীমাবদ্ধ। মস্তিষ্কের যে অংশকে বলা হয় এমিগডালা তা মূলত আমাদের সহজাত আবেগগত প্রক্রিয়ার সাথে সংযুক্ত। ম্যামাল মস্তিষ্কের মূল বৈশিষ্ট্য আবেগময় , সহজাত প্রবৃত্তির অনুশাসন। কিন্তু নিও কর্টেক্সে এসে আমরা বুদ্ধিবৃত্তির চর্চাকে সূক্ষ্ম চিন্তার জগতে নিয়ে জেতে সক্ষম হই, যেখানে অন্ধ বা সহজাত আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখি।

এজন্যে মস্তিষ্কের বিবতর্ন প্রক্রিয়ায় মধ্য স্তরের স্তন্যপায়ী প্রাণীর মস্তিষ্ককে মানব মস্তিষ্কের যুক্তিবাদী অংশের তুলনায় অনিয়ন্ত্রিত আবেগময় বা সূক্ষ বোধহীন মস্তিষ্ক হিসেবে মনে হয়। মানুষ পূর্ণ বিকশিত মস্তিষ্ক পেয়েও কখনো কখনো এমন স্তরে নেমে যায়, যখন সে বোধ সত্তাকে ব্যবহার করে না- নিকৃষ্ট পশু বা পশুরও অধম হয়ে যায়।

‘সমস্ত জীবের আল্লাহর কাছে নিকৃষ্ট জীব হলো যারা অগ্রাহ্য(অস্বীকার)করেছে ;বিশ্বাস আনবে না।’
- সূরাহ আনফাল(অধ্যায়-৮),আয়াত-৫৫

                            ৮ঃ৫৫ এই আয়াতে আল্লাহ কি বলেন নি বোধহীন মানুষ পশুরও অধম? 
এটাই কি বলা হয়নি না আল্লাহর কাছে তারাই সব চেয়ে নিকৃষ্ট বা নিচের স্তরের প্রাণি যারা অকৃতজ্ঞ,অস্বীকারকারী?কিন্তু কীসের ব্যাপারে অকৃতজ্ঞ ও অস্বীকারকারী তারা? আগের আয়াতগুলিতে উদ্ধত স্বৈরাচারী ফেরাউনের কাহিনী বর্ণিত আছে। এমন অকৃতজ্ঞ অস্বীকারকারী তারাই যারা উদ্ধত-স্বৈরাচারী,পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী, অজ্ঞ, মিথ্যাবাদী প্রতারক,অহংকারী। তারাই নিকৃষ্ট পশুর পর্যায়ের।


                          কাফের তথা অস্বীকারকারী ও অকৃতজ্ঞ বলতে কী বোঝায়?
প্রথমত, একত্ববাদকে অস্বীকার করা। মানুষের সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালককে অস্বীকার করা।
দ্বিতীয়ত, মানুষের সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালককের নির্দেশিত পথে চলতে অস্বীকার করা। তাঁকে অমান্য করা। ৫নং আয়াতে এটি স্পষ্ট আল্লাহ কী নির্দেশ করেছেন। তাঁর নির্দেশ অমান্য করা বলতে কী বোঝায়। এক বাক্যে সঠিক ধর্ম পালন না করা। কাফের হলো তারাই যারা বোধ-জ্ঞান-বিবেক বিবর্জিত মানুষ, এবং নিজ সৃষ্টিকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞও বটে।




(৪) সৃষ্টির অধম বা নিকৃষ্ট সৃষ্টি বলতে কী বোঝায়? 
সৃষ্টির অধম তারাই যারা সৃষ্টির সেরাদের বিপরীত। ৯৮ঃ৭ আয়াতে উল্লেখ আছে কারা সৃষ্টির সেরা।
‘নিশ্চয় যারা বিশ্বাস এনেছে ও সৎকর্মশীল, তারাই সৃষ্টির সেরা।’

                                 কাজেই, যারা অবিশ্বাসী বা অস্বীকারকারী ও অকৃতজ্ঞ এবং সৎ কর্মশীল নয়, তারাই আল্লাহর কাছে মর্যাদায় সৃষ্টির সর্ব নিম্ন স্থানে রয়েছে। তারা বোধ-হীন,বিবেকহীন,অকৃতজ্ঞ ও জীবন যাপনে সৎকর্মশীলও নয়। তারা ছাড়া সৃষ্টি-জগতের আর কাদের পক্ষে এমন অধম হওয়া সম্ভব? নিরীহ চতুষ্পদ প্রাণীরা? উদ্ভিদকূলের যাদের ক্ষতি করার পরাক্রম কোনো ইচ্ছা শক্তিই নেই। নাকি জড় বস্তু? -যাদের মানুষের মতো উন্নত বোধ-জ্ঞান ও নৈতিক জীবন নেই, তারা? সৃষ্টির সেরা যেমন মানুষের পক্ষে হওয়া সম্ভব, তেমনি সৃষ্টির নিকৃষ্টও মানুষের পক্ষেই হওয়া সম্ভব।

সৃষ্টিকুলের এই মর্যাদার ঘোষণা আল্লাহর তরফ থেকে। এর মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা-বিদ্বেষের কিছু নেই।

মানুষের অস্থির আবেগময় মনস্তত্ব আল্লাহতে আরোপ করার অর্থ আয়াতের ভুল অর্থে (ফিতনা)নিপতিত হওয়া। এ ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। মানুষ নিজ নিজ কৃতকর্ম অনুসারে পরকালেও বিভিন্ন স্তরের মর্যাদার আসন লাভ করবে। এ সম্পর্কে কুর'আনের আয়াতেই বর্ণিত হয়েছে,

'আর সকলের জন্য তাদের কৃতকর্ম অনুযায়ী বিভিন্ন (মর্যাদার) স্তর রয়েছে, যাতে আল্লাহ তাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দিতে পারেন; এবং তাদের প্রতি কোনো অবিচার হবে না।' -সূরাহ আহক্বাফ(অধ্যায়-৪৬),আয়াত-১৯

(৫)  জাহান্নাম কী? জাহান্নামের আগুনই বা কীরূপ?
এ এক বিস্তর আলোচনার ক্ষেত্র তবে সে সব আলচনা সবই হবে অনিশ্চিত ও কল্পনাপ্রসূত। ধর্মীয় গ্রন্থে যে টুকু চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তা থেকে জাহান্নামের প্রকৃত চিত্র অনুমান করা অসম্ভব। তবে এটি অত্যন্ত খারাপ আবাসস্থল, যেটি মানুষের জন্য পরকালের নিকৃষ্ট আবাস হিসেবে ধরে নিতে হবে।আগুনের অর্থও আমাদের পক্ষে পার্থিব আগুনের ধর্ম দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়।

(আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্য উপলব্ধি করার সৌভাগ্য দান করুন।)

(পুরোনো লেখা।)

Comments

Popular posts from this blog

'শুন হে মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।' : আমি মানুষ বনাম আমি মুসলমান-আইনুল বারী

অপব্যাখ্যাত আয়াত ৪ঃ৩৪- স্ত্রীকে প্রহার করা কি ইসলামে অনুমোদিত?-আইনুল বারী

সত্য অনুসন্ধানী ধার্মিকের চোখে নাস্তিক্যবাদী সংশয় ঘৃণার বস্তু নয়, কেননা জ্ঞানের সংশয়ে পাপ নেই, জ্ঞান চর্চায় ঘৃণা বিদ্বেষের প্রয়োজন নেই -আইনুল বারী