রোযা তথা সিয়াম সাধনার তাৎপর্য -আইনুল

৯.রোযা তথা সিয়াম সাধনার তাৎপর্য
-আইনুল বারী
--       ---   --
রোযা তথা সিয়ামকে বলা হয় ইসলাম ধর্মের অন্যতম স্তম্ভস্বরূপ। আমরা সাধারণ মুসলমান বিস্তারিত ও গভীরভাবে এর তাৎপর্য বুঝি না, আর না বোঝার কারণে নিজে থেকে বিস্তারিত বুঝতেও তেমন তাগিদ বোধ করি না। যেটুকু শুনি ও দেখি সেটুকু নিয়েই বিশ্বাস করি রোযা একজন মুসলমানের জন্য ফরয কাজ। মহান আল্লাহ চাইলে এর সুগভীর তাৎপর্য পুরোপরি অনুধাবন করা সম্ভব যদি আমরা ইসলা্মের জীবন-বিধান সম্পর্কে পূর্নাংগ দৃষ্টভঙ্গি অর্জন করতে সক্ষম হই।

কুর'আনের দিক-নির্দেশনা মানবজাতির জন্য একটি পূর্নাংগ আত্ম-শুদ্ধির জীবন-বিধান হিসেবেই এসেছে। রমাযান মাসে আল্লাহর পবিত্র বাণী কুর'আন নাযিল হয়েছিলো। আর ইসলাম ধর্মের জীবন-ব্যবস্থা মানব জাতির হেদায়েতের জন্য কেয়ামত পূর্ব পর্যন্ত জন্য পূর্ণ হলো। মহান সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালক মানুষের জন্য তাঁর জীবন-ব্যবস্থার দিক-নির্দেশনাকে সু-সম্পন্ন করলেন। তবে কী এই মহান জীবন-ব্যবস্থা যার নীতিমালা মানুষের পক্ষে সৃষ্টি করা সম্ভব নয়? কারণ এই নীতিমালা অনুসারে জীবন-যাপন করা এজন্যই প্রয়োজন যে তা মানব জাতির/সভ্যতার চুড়ান্ত পথ-স্খলন রোধ করবে। এ হলো বেহেশতের দিকে চালিত হওয়ার জন্য আত্ম-শুদ্ধির 'সোজা পথ'(সিরাতুল মুস্তাকিম)। এ ছাড়া অন্য সকল পথ বাঁকা, দোযোখের দিকে আমাদের নিয়ে যাবে। তাই কুর'আনে নির্দেশিত জীবন-ব্যবস্থা মানব জাতির জন্য একটি সু-সংবাদ ও সতর্কতার বার্তাও বহন করে।

কিন্তু আমরা কীভাবে ইসলামের আত্ম-শুদ্ধির 'সোজা পথ' ধরে চলতে পারবো? সোজা পথ হলেও তা মোটেও খুব সহজ-সোজা নয়। আত্ম-ত্যাগ ছাড়া আত্ম-শুদ্ধি সম্ভব নয়, এটিই ইসলামের মূল শিক্ষা, মানবজাতির কাছে মহান প্রতিপালকের এটিই সুমহান বার্তা । মানবজাতি জীব হিসেবে নিজেদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারবে এই আত্ম-শুদ্ধির পথ ধরেই, অন্য কোনোভাবে নয়। পুঁজিবাদী ভোগবাদী বাজার অর্থনীতির জীবন-ব্যবস্থা একটি বিভ্রান্তিকর বাঁকা পথ, যা আমাদের আত্ম-ত্যাগের চেয়ে আত্ম-কেন্দ্রিকতা অর্জন করতে শেখায়। ভোগবাদী জীবন-দর্শন নিষ্ঠুর অহমবাদী ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। সমাজতন্ত্রের সাম্যবাদী জীবনব্যবস্থার তত্ত্ব আমরা জেনেছি, দেশে দেশে বিভিন্ন রকমের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়েছে। কিন্তু দেখা গেল সে জীবন-দর্শনও ব্যর্থ হলো, কারণ নৈতিকভাবে ও বাস্তবতা বিরোধী চিন্তায় মানুষের আত্মগত সত্তাকে অস্বীকার করায় বা অবমূলায়ন করায় তা তত্ত্বগতভাবেই ত্রুটিযুক্ত ছিলো, এবং ব্যর্থ হয়ে গেল ।

মানুষের আত্মগত সত্তার সাথে মানব জাতিগত সত্তার নির্ভুল ও যথার্থ সমন্বয়ই হলো ইসলাম ধর্মের আত্ম-ত্যাগের মাধ্যমে আত্ম-শুদ্ধির জীবন দর্শন। এর বিস্তারিত তুলনামূলক আলোচনা এখানে নয়, সেটি ভিন্ন প্রসংগ হতে পারে। এখন প্রশ্ন, আমরা আত্ম-ত্যাগের মাধ্যমে কীভাবে আত্ম-শুদ্ধির পবিত্রতা অর্জন করতে পারি, আর রমযান মাসের ৩০ দিনের রোযা সারা জীবনের সেই পবিত্রতা অর্জনের চেষ্টায় কী ভূমিকা পালন করে।
আমাদের মহান প্রতিপালক বলছেন,

'হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের উপর সিয়াম(রোযা) পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যেমন নির্দেশ ছিলো তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেনো তোমরা আত্মশুদ্ধ (tattaqūna) হতে পারো।' -সূরাহ বাক্বারাহ, অধ্যায়-২, আয়াত-১৮৩,

উপর্যুক্ত আয়াতটি থেকে আমরা জানতে পারি রোযা (সিয়াম) কুর'আন অবতীর্ণ হওয়ার আগে থেকেই বিভিন্ন জাতির প্রতি নির্দেশিত ছিলো। এটি নতুন কিছু নয়, তবে নতুন দিব্যজ্ঞানের আলোয় আলোকিত, ব্যখ্যাত। রোযা মানে শুধু এক বেলা অনাহারে থাক, খাদ্য গ্রহণ, পানীয় গ্রহণ ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকা মাত্র নয়। এর মানে হচ্ছে এমন বিরতির মধ্য দিয়ে আত্ম-ত্যগের পবিত্র পথে আত্ম-শুদ্ধতা অর্জনের জন্য একান্তভাবে নিবিড় প্রচেষ্টা চালানো। আত্ম-শুদ্ধি এক পূর্নাঙ্গ বিষয়। সিয়াম (রোযা) তাই শুধু পালন নয়, এটি সাধনা বা অনুশীলনেরও বিষয়। যা কিছু অনিষ্টকর তা থেকে বিরত থেকে আত্ম-সংযম লাভ তথা আত্ম-ত্যাগের শুভশক্তি অর্জন করা, যা আমাদের এনে দেবে আত্ম-শুদ্ধির পবিত্রতা। সংযমের এ অনুশীলনে খাদ্য গ্রহণ না করে অনাহারী মানুষের কষ্টকে কিয়দংশ অনুভব করার মাধ্যমে সমাজে সহানুভূতির সুবাতাস ছড়িয়ে দেয়া যেমন যায়, তেমনি কুর-প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উন্নত নৈতিক চরিত্র অর্জনের পথে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া যায়; যেমন মিথ্যা না বলা, ব্যাভিচারে লিপ্ত না হওয়া, মানুষের সাথে অন্যায় আচরণ না করা, এ সবই রোযা বা সিয়াম সাধাণার অন্তর্গত। এক মাসের অনুশীলন এই অনুপ্রেরণাই দেয় যে সারা বছর মুসলমান হিসেবে এ পবিত্র চেষ্টাই আমাদের সকলের করার কথা।

প্রকৃত অর্থে রমযান মাসের মাসব্যাপী রোযা বা সিয়াম পালন হলো ধর্মীয় জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নিবিড়, সুশৃংখল আধ্যাত্মিক অনুশীলন। যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন ও প্রতিপালন করেন তিনিই ভালো জানেন আমরা এক রাতেই এক চেষ্টায় সকল শুদ্ধতা অর্জন করতে পারি না, নিছক দৈবক্রমে অসাধ্য সাধন করতে পারি না, আমরা ক্রমাগত প্রচেষ্টার (জিহাদ) মধ্য দিয়ে তাক্বওয়া (আল্লাহ-সচেতনতা) ও হেদায়েতের পবিত্র ফল লাভ করতে পারি। এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকেই সহজ করে দেয় এক মাসব্যাপী সিয়ান সাধনা (রোযা পালন)। এক মাসে শৃংখলাবদ্ধ জীবন-যাপন সম্ভব হলে বাকি এগারো মাসও একইভাবে জীবন যাপন করা সম্ভব- এটিই পবিত্র রমযান মাসে সিয়াম সাধনা বা রোযার তাৎপর্য বলে আমার বোধে প্রতীয়মান হয়। মহান সৃষ্টিকর্তাই সব চেয়ে ভালো জানেন।

বিশ্বাসীদের জন্য এক মাসের শৃংখলাবদ্ধ সিয়াম সাধানাকে বার্ষিক নৈতিক প্রশিক্ষণের সাথেও (বোঝার সুবিধার্থে) তুলনা করা যেতে পারে। বিভিন্ন সংগঠনের আভ্যন্তরীন নিয়ম-শৃংখলা অটুট রাখার জন্য 'রিফ্রেসমেন্ট কোর্সের' নিয়ম চালু আছে। এক মাসের সিয়াম(রোযা) আমাদের নৈতিক জীবন-যাপনের সক্ষমতা সৃষ্টিতে অভূবতপূর্ব আত্ম-স্ংযমী প্রাণশক্তির উদ্ভব ঘটাতে পারে যদি আমরা এর গভীরতা বুঝতে পারি আর মনে-প্রাণে তা পালনে জন্য আত্ম-নিয়োগ করতে পারি। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই, একজন ব্যক্তি যদি প্রতি দিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর পর তিরিশ দিন সিগারেট ও মদ পান থেকে, জুয়া, ব্যভিচার,মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকতে পারে, আর যদি পর পর বছর গুলিতে এ ব্যাপারে এক নাগারে সফলতা অর্জন সম্ভব হয়, তবে এটি অনুমান করা যায় যে তিনি দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করলে মহান আল্লাহর কৃপায় সারা জীবন ব্যাপী এমন আত্ম-নিয়ন্ত্রণের শক্তি অর্জন করতে পারবেন। সেটি খুব কঠিন ব্যাপার হবে না, ইনশা'আল্লাহ। কিন্তু আমরা কি এমন ভাবে চিন্তা করি? এমন পূর্নাংগ দৃষ্টিভঙ্গিতে সিয়াম সাধনার (রোযা) এবাদতকে দেখি? বোধ করি খুব ক্ষুদ্র অংশ ছাড়া না।

অতএব সারসংক্ষেপে বলা যায়, রোযা মানে শুধু উপবাস নয়, এক বেলা কষ্ট করে খালি পেটে থাকা নয়। অনাহারে থাকার ব্যাপারটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নয়। তবে জরুরি একটি বিষয় অবশ্যই। কেননা, আজকের ভোগবাদী আত্ম-কেন্দ্রিক সমাজের সব চেয়ে বড় মানবিক ট্রাজেডি হচ্ছে আমরা সমাজের বিরাট সংখ্যক প্রান্তিক মানুষকে ক্ষুধার্ত রেখে অল্প কিছু অতি স্বচ্ছ্বল বেপরোয়া মানুষ না রকম খাদ্যভান্ডার ও আনন্দ উপভোগের সামগ্রী নিয়ে মত্ত থাকার অপসংস্কৃতির অপশাসনে চলে গেছি। এ অহমবাদী মত্ততা সামগ্রিকভাবে চেতনায় এক ধরণের 'বিবশতা' তৈরি করে, 'মানবিকতার' স্থলে ক্রমান্বয়ে সঞ্চিত হতে থাকে 'পাশবিকতা', কখনও কখনও তা হয়ে ওঠে পৈশাচিকতা। অন্যকে উপেক্ষা করার, অস্বীকার করার, তিরষ্কার করার, নাকচ করার, ঘৃণা করার, আক্রমণ করার, পদানত করার এক 'মন্দ নৈতিকতার' অপশক্তি অর্জিত হয়। হৃদয় হয়ে যায় অন্ধ,বোধহীন। অন্য দিকে 'রোযার অনাহার' আমাদের হৃদয়ে মানবতার শক্তি সঞ্চারিত করে, যদি আমরা তা হৃদয়ে যথাযথ ধারণ করতে পারি। এক মাস আমারা এই চেষ্টাই প্রগাঢ় ভাবে করতে চেষ্টা করি। এ হলো সিয়াম (রোযা) সাধনার আধ্যাত্মিক তাৎপর্য।
এখানে কল্যাণের জীবন, আত্ম-শুদ্ধি ও রোযা সংক্রান্ত কুর'আনের গুরুত্বপুর্ণ কিছু আয়াত উল্লেখ করে আমার নোটটি অর্থপূর্ণ করতে চেষ্টা করবো, ইন শা'আল্লাহ।
(আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থণা করছি।)

প্রথমে সিয়াম(রোযা) সংক্রান্ত আয়াতঃ
'হে বিশ্বাসীগণ! তোমাদের উপর সিয়াম পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যেমন নির্দেশ ছিলো তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেনো তোমরা আত্মশুদ্ধি (tattaqūna) হতে পারো।'-সূরাহ বাক্বারাহ, অধ্যায়-২, আয়াত-১৮৩

'সিয়াম(রোজা) নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনের জন্য;তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ বা যাত্রাপথে থাকবে তার জন্য ঐ সংখ্যক অন্য দিন গুলিতে; আর যাদের সামর্থ্য আছে তাদের জন্য মুক্তিপণ(কাফফারা) হলো এর বিপরীতে একজন অনাহারীকে খাদ্য দান করবে; যে খুশীর সাথে (স্বতঃস্ফূর্তভাবে) সৎকাজ করে তা তার জন্য আরও কল্যাণময় হয়ঃ তোমাদের জন্য সিয়াম আরও বদান্যতা(কল্যাণময়),যদি বুঝতে।'-সূরাহ বাক্বারাহ, অধ্যায়-২, আয়াত-১৮৪

'রমাজান মাস যে মাসে কুর'আন অবতীর্ণ হয়েছিলো, মানবজাতির জন্য এক পথপ্রদর্শনাকারী হিসেবে, আর সে পথপ্রদর্শনের (হেদায়েতের পথ) সুস্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে, আর ন্যায়-অন্যায় (সত্য/মিথ্যার) নির্দেশক হিসেবে। আর তোমাদের মধ্যে যে বর্তমান আছো, সে এ মাসে সিয়াম সাধনা করো, আর যে অসুস্থা বা কোনো যাত্রা পথে আছো, তিনি তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন যে তোমাদের উচিত অন্য দিনগুলিতে সময় (গণনা ) পূর্ণ করা, আর তোমরা আল্লাহর মহত্ব প্রচার করবে কারণ তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন, আর যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো।'-সূরাহ বাক্বারাহ, অধ্যায়-২, আয়াত-১৮৫

রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাসকে তোমাদের জন্য বৈধ(হালাল) করা হয়েছে। তারা তোমাদের পোশাক আর তোমরা তাদের পোশাক। আল্লাহ জানেন তোমরা গোপনে আত্ম-প্রবঞ্চনা/প্রতারণা করছিলে; তবে তিনি তোমাদের ক্ষমা করেছেন ও অব্যাহতি দিয়েছেন; অতএব তাদের কাছে যাও,আর সন্ধান করো আল্লাহ যা কিছু তোমাদের জন্য দিয়েছেন, আর খাও ও পান করো,যতোক্ষণ না কালোরেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার ফুটে ওঠে; তারপর রোযা সম্পন্ন করো রাত আসা পর্যন্ত; কিন্তু তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাসে যেয়ো না যখন মসজিদে গভীর মগ্নতায়/পবিত্রতায় (এতেকাফ )থাকো। এ গুলি হলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমাঃ তাদের কাছেও যেয়ো না।এভাবেই আল্লাহ বর্ণনা করেন নিজের আয়াত সমূহ মানুষের কাছে, যেনো তারা আত্ম-শুদ্ধ হতে পারে।’-সূরাহ বাক্বারাহ, অধ্যায়-২, আয়াত-১৮৭

সিয়াম (রোযা) এর আত্মিক অর্জনের পাশপাশি শরীর বৃত্তীয় অনেক ভালো ফলাফল আছে। এ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে, আমরা বিভিন্ন গবেষণায় ইতিবাচক প্রমাণাদি পাচ্ছি। বিশেষত বেশ কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ও সুস্বাস্থ্যের জন্য এটি ফলদায়কশুধু মানুষের জন্য নয়, প্রাণিকূলের অন্য প্রজাতিসমূহের জন্য, ইনসেক্ট উদ্ভিত জগতেও নির্দিষ্ট মেয়াদে খাদ্য গ্রহণে সিয়াম(fasting) পালন লক্ষ্যনীয়। সে ব্যাপারে অন্য কোনো নোটে বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে। এখানে এ পর্যন্তই।
সকল বিষয়ে মহান আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন। তিনি আমাদের সর্বদা হেদায়েতের পথে পরিচালিত করুন। আমীন।



Comments

Popular posts from this blog

'শুন হে মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।' : আমি মানুষ বনাম আমি মুসলমান-আইনুল বারী

অপব্যাখ্যাত আয়াত ৪ঃ৩৪- স্ত্রীকে প্রহার করা কি ইসলামে অনুমোদিত?-আইনুল বারী

সত্য অনুসন্ধানী ধার্মিকের চোখে নাস্তিক্যবাদী সংশয় ঘৃণার বস্তু নয়, কেননা জ্ঞানের সংশয়ে পাপ নেই, জ্ঞান চর্চায় ঘৃণা বিদ্বেষের প্রয়োজন নেই -আইনুল বারী