সৃষ্টিকর্তার ধারণাকে কি মানবজাতির ঐক্যের ধারণায় রূপান্তর করা যায়?
৫২.সৃষ্টিকর্তার ধারণাকে কি মানবজাতির
ঐক্যের ধারণায় রূপান্তর করা যায়?
-আইনুল বারী
-- -- --- ---
ভাষা, বর্ণ, আঞ্চলিকতা ও জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্রবাদী
সংকীর্ণতা বা আড়ষ্টতা বা রক্ষণশীলতা বা সংরক্ষণশীলতার উর্ধ্বে উঠে এক সময়
(রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,
বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক যে দিক দিয়েই চিন্তা করি না কেনো)
আমাদের প্রয়োজন হয় বৈশ্বকতাকে, তার
সার্বজনীনতা অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। যার মূল প্ররণা হলোঃ ভালোবাসা, ভাতৃত্ব, ন্যায় বিচার- মঙ্গলের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে
মানবজাতির ঐক্য।
যদি চিন্তা
করতে শিখি সৃষ্টি কর্তা মানে, বিভিন্ন
বর্ণ, ভাষা,
জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়ের মানুষের এক মহান বৈশ্বিক
লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলা বা প্রত্যাবর্তন। বিভিন্ন জাতের মানুষ আমরা ভালো কাজের
প্রতিযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলছি। নানা বিভেদ,
সমস্যা, নিষ্ঠুরতার বাধা পেরিয়ে এক আদর্শ,
এক
আত্মবিশ্বাস, শক্তি সাহস,
ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা নিয়ে আগামীর দিকে পরষ্পর হাত ধরে এগিয়ে চলছি। সৃষ্টি কর্তা হলো
গ্রান্ড এলাইনমেন্টে সুসজ্জিত কন্টিঞ্জেন্টগুলির প্রতি এক সুপ্রিম কমান্ড।
সৃষ্টিকর্তা এমন এক মহান
প্রত্যয় যা পুরো বিশ্বকেই একত্রিত করবে। বিভেদের আরাধোনা থেকে পুরো
মানবজাতিকে সর্বজনীনতায় মুক্তি দিবে। সৃষ্টি কর্তায় আত্মসমার্পণ হলো বিদ্যমান
শ্রেণি, গোত্র,
বর্ণ, মর্যাদা, ক্ষমতার,
ব্যক্তির
অন্যায় আধিপত্য থেকে, ভয় থেকে,
সন্তুষ্টি, স্বার্থ , ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে মানব জাতিকে নির্ভয়
দান, উৎসাহ দান,
নিশ্চয়তা
দান, ন্যায় সংগত অধিকার, আত্ম-শক্তি ও মর্যাদা দান। তাই যে তত্ত্বই দাঁড় করানো হোক না কেনো
সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস ও আত্মসমার্পণ ছাড়া মানব-ঐক্যের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার নয় , বিশ্ব শান্তিও সুদূর পরাহত ।
Comments
Post a Comment